Monday, August 8, 2016
পন্ডিত মশাই
এক মাতাল সন্ধার দিকে পকেট থেকে ১টা ম্যাচ বের করে একের পর এক কাঠি ঘষে চললো। কিন্তু কোন কাঠিই জ্বলছে না । অবশেষে একটা কাঠি জ্বলে উঠলো। তখন সে অতিযত্নে কাঠিটা নিভিয়ে ম্যাচ বাক্সে রেখে দিল । কি রে, পোরা কাঠি আবার রেখে দিলি কেন ? আরে বন্ধু, পুরো ম্যাচে মাত্র একটা কাঠি ভাল। এখনি যদি ব্যবহার করে ফেলি তবে বাসায় যেয়ে হারিকেন জ্বলাব কি দিয়ে?
কেউ কমেন্ট না করে যাবেন না......
একেই বলে মাতাল
৩ জন মাতাল রাতে একটা গাড়িতে উঠল ড্রাইভার বোঝতে পারল যে তারা মাতাল!! ড্রাইভার গাড়ির ইঞ্জিন চালু করল এবং সাথে সাথে বন্ধ করে ফেলল আর তাদেরকে বলল যে তারা নাকি গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গেছে. ৩ মাতাল গাড়ি থেকে নামল তারপরঃ- ১ম মাতালঃ ধন্যবাদ. ২য় মাতালঃ নিন, ১০ টাকা বকশিস দিলাম। তখন ৩য় মাতাল ড্রাইভারকে দিল একটা থাপ্পর। ড্রাইভার মনে করল যে লোকটা বোধ হয় মাতাল না, হয়ত সবকিছু বোঝে ফেলেছে. তবুও ড্রাইভার তাকে জিজ্ঞেস করলঃ থাপ্পর মারলেন কেন??৩য় মাতালঃ শালা, এত স্পীডে কি কেউ গাড়িচালায়! মাইরাই তো ফালাইছিলি
কেউ কমেন্ট না করে যাবেন না....
বল্টু এখন বিজি
বল্টু : বাবা আমার ওজন কত হবে?
বাবা : তা পঁচিশ--ত্রিশ কেজি হবে।
বল্টু : তাহলে তো আমার পড়ালেখা মনে হয় গেল?
বাবা: পড়ালেখার সাথে ওজনের সম্পর্কটা কি?
বল্টু : অংকের স্যার বলছে,.....
:
:
;
:
;
;
;
:
:
:
:
;
;
;
:
:
;
;
;
;
^
এক মন না হলে পড়ালেখা হয় না!!!!
মিঃ বিন
আইনস্টাইন এবং মিঃ বিন
পাশাপাশি সীটে বসে আছেন দীর্ঘ
রাস্তা পাড়ি দেয়ার পথে।
আইনস্টাইন বললেন,
চলো একটা গেম খেলি...
আমি তোমাকে একটা প্রশ্ন
জিজ্ঞেস করবো যদি তুমি উত্তর
দিতে না পার তবে তুমি
আমাকে ৫ ডলার দিতে হবে;
আর আমি যদি না পারি তবে
আমি তোমাকে ৫০০ ডলার দিব।
আইনস্টাইন প্রথম প্রশ্ন
করলেনঃ পৃথিবী থেকে চাঁদের
দূরত্ব
কত?
মিঃ বিন কোন উত্তর দিলেন না,
তার
পকেট থেকে ৫ ডলার দিয়ে দিলেন।
এবার মিঃ বিন এর প্রশ্ন করার
পালা...
সে আইনস্টাইন কে প্রশ্ন
করলঃ কি ৩ পায়ে পাহাড়ে যায়
এবং চারপায়ে নেমে আসে...?
আইনস্টাইন ইন্টারনেট সার্চ দিল
এবং তাঁর মেধাবী সব বন্ধুদের কাছে জানতে চাইল......
এক ঘণ্টা পর তিনি মিঃ বিনকে ৫০০
ডলার দিয়ে দিলেন। আইনস্টাইন
বিস্মিত
হয়ে মিঃ বিনকে জিজ্ঞেস
করলেনঃ এবার বল
কি ৩ পায়ে পাহাড়ে যায়
এবং চার
পায়ে নেমে আসে...?
মিঃ তার পকেটে হাত দিলেন
এবং আইনস্টাইন কে ৫ ডলার
দিয়ে দিলেন...
বাংলা সনেমা
*বায়োমেট্রিক বাংলা সিনেমা***
.
সিনেমার নাম: "রেজিস্ট্রেশন করবি
কি না বল"
সাগর আর রেখা একই কলেজে পড়ে।
কলেজের প্রথম
দিন অনিবন্ধিত সিম দিয়ে
মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে
ধাক্কা খায় দুজন। চৌধুরী সাহেবের
একমাত্র মেয়ে রেখার
হাত থেকে নিচে পড়ে যায় আইফোন
সিক্স। তারপর সাগর তার নকিয়া
১১১০
মোবাইলটি নিয়ে তুলে দিতে যায়
রেখার ফোন।
চোখে চোখ পরে দুজনের।
লাল্লল্লা
লাল্লা ল্লাল্লা..... গান শুরু হয়।
গানের মধ্যে বান্দরবন, কক্সবাজার
ঘুরে আসার পর শেষদৃশ্যে আবার
সেই
কলেজের বারান্দাতেই চোখে চোখ
পড়া অবস্থায় তাদের দেখা যায়।
পরে
শুরু হয় ভালোলাগা ভালোবাসা।
একসময় তারা জানতে পারে তাদের
দুইজনের সিমই অনিবন্ধিত।
ওওও... বলতে ভুলে গিয়েছিলাম,
চৌধুরী সাহেব আবার বিকাশ এজেন্ট
সাগরের বাবাকে ২০ বছর আগে
অবৈধভাবে সিম বিক্রি না করায়
হত্যা করেছিলো। এর
প্রতিশোধ নিতে আজও ঘুরে বেড়ায়
সাগর।
সাগর আর রেখা বায়োমেট্রিক
পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশন করতে
চায়। বাধ সাধে মির্জা সাহেবের
ছেলে জাম্বু। জাম্বু চায় অবৈধ সিম
দিয়েই রেখার সাথে ফোনে কথা
বলতে। কিন্তু রেখা চায়
রেজিস্ট্রেশনকৃত সিম দিয়ে সাগরের
সাথে কথা বলতে।
এর জের ধরে চৌধুরী সাহেব রুমে
বন্দি করে রাখে রেখাকে। ঘরের
ভিতর বসে বসে চোখের জলে বালিশ
ভিজায় রেখা।
ঠিক হয় মির্জা সাহেবের ছেলে
জাম্বুকেই দেয়া হবে রেখার
মোবাইল নাম্বার।
সাগর আসে চৌধুরী সাহেবের
বাসায়। চৌধুরী সাহেব জানতে চায়
কত টাকার বিনিময়ে সাগর রেখাকে
ছাড়া সিম নিবন্ধন করবে।
সাগর বলে ওঠে, "চৌধুরী সাহেব
আমরা গরীব হতে পারি
তাই বলে আমরা সরকারের কথা
অমান্য করি না। আপনি টাকা দিয়ে
আমাদের সিম নিবন্ধন করানো থেকে
বঞ্চিত করতে পারবেন না।"
অন্যদিকে, জাম্বু সাগরের মা'কে
আটকে ফেলে সাগরকে শায়েস্তা
করার জন্য। পরে রেখা আর তার
বাবাকেও আটকে ফেলে মির্জা
সাহেবের ছেলে জাম্বু। তার একটাই
উদ্দেশ্য চৌধুরী সাহেবের সকল
অনিবন্ধিত সিমগুলো হাতিয়ে
নেয়া। কিন্তু সাগর বেঁচে থাকতে
তো এ হতে পারে না।
রেখার এক ডাকে সাগর চলে যায়
জাম্বুর অবৈধ সিমের আস্তানায়,
যেখানে বেঁধে রাখা হয়েছে
সবাইকে। সাগর 'রবি' সিমের মত
আপন
শক্তিতে জ্বলে উঠে, 'গ্রামীনফোন'
এর মত চলো বহুদূর বলে,
'বাংলালিংক'
এর মত নতুন কিছু করার উদ্দেশ্যে,
এবং
'টেলিটকের' মত গ্লাস ভেঙে এসে
হাজির হয়। এরপর হিন্দি সিরিয়ালের
মত সবার মুখ একবার করে দেখানো
হয়।
অতপর শুরু হয় তুমুল মারপিট।
সাগরকে ৪০
ঘুষি দিয়েও কিছু করতে পারে না
গুন্ডারা। সাগরের এক ঘুষিতে শুয়ে
পরে জাম্বুর সব গুন্ডা।
পরে অনিবন্ধিত সিমের চুক্ষা অংশ
দিয়ে জাম্বুকে হত্যা করতে চায়
সাগর। আগমন ঘটে পুলিশের। পুলিশ
বলে
ওঠে, "অনিবন্ধিত সিম নিজের হাতে
তুলে নিবেন না।"
জাম্বুকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।
তারপর নিজের ভুল বুঝতে পেরে
চৌধুরী সাহেব সাগরের হাতে তুলে
দেয় রেখা আর তার আইফোন
সিক্সকে। অতঃপর তারা একসাথে
সবাই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম
রেজিস্ট্রেশন করে। তারপর সাগর
দৌঁড়ে এসে তার মা'কে বলে, "মা
মা তোমার ছেলে আজ
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম
নিবন্ধন
করেছে।" জবাবে তার মা
কাঁদোকাঁদো স্বরে বলে, "আজ যদি
তোর বাবা বেঁচে থাকতো ........"
কবুতর
এক কবুতর একটু নিচু হয়ে উড়ছিল...
হটাৎ এক গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো
এক লোক তাকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় নিয়ে গিয়ে রাখল।
যখন কবুতরের জ্ঞান ফিরল,তখন সে খাঁচার ভিতর থেকে নিজেকে দেখে বলল,
"হায় আল্লাহ! আমি জেলে...!! গাড়িওয়ালা কি মারা গেছে নাকি....??"
সুন্দর একটি জোক্সস
একটি চাকরীর ইন্টারভিউ এ প্রশ্ন করা হল- "মনে করুন একটা প্রচণ্ড ঝড়ের রাত্রে আপনি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন। একটু সামনে যেতেই দেখলেন ৩ জন যাত্রী অপেক্ষা করছে গাড়ির জন্য। ১ম জন- একজন অসুস্থ বৃদ্ধ মহিলা। দ্রুত হাসপাতালে তাঁর যাওয়া দরকার। ২য় জন- আপনার সবচাইতে ভালো বন্ধু। যে আপনার জীবন বাঁচিয়েছিল। ৩য় জন- আপনার স্বপ্নের নারী। যার জন্য আপনি অপেক্ষায় ছিলেন এতদিন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কাকে গাড়িতে তুলবেন? মনে রাখবেন মাত্র এক জনকেই তুলতে পারবেন গাড়িতে.. সে নিশ্চিন্ত ভাবে উত্তর দিলো-- "গাড়ির চাবি টা আমি আমার পুরনো বন্ধুকে দিয়ে দেবো। তারপর সে গাড়িতে ঐ অসুস্থ বৃদ্ধ মহিলাকে নিয়ে হাঁসপাতালে চলে যাবে। এবং আমি গাড়ি থেকে নেমে আমার স্বপ্নের নারীর জন্য আরেকটা গাড়ির আশায় দাড়িয়ে থাকবো।"
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
পরিক্ষা
পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষক তার ছাত্রদের মনের আনন্দে দেখাদেখি করার জন্য সুযোগ দিয়ে পরীক্ষার শেষে সবাইকে বলে দিলো,
"খবরদার আমি যে তোদের দেখাদেখি করতে দিয়েছি তা বাইরে কাউকে বলবি না।"
জবাবে এক ছাত্র বললো, স্যার আপনি কোন চিন্তাই কইরেন না, বাহির হইয়া সবাইরে কমু যে.......
.
.
.
.
.
.
.
"স্যার শালা বহুত হারামি আছিলো। ঘাড়টাও ঘুরাইতে দেয় নাই। নইলে পরীক্ষায় ভাল নাম্বার পাইতাম
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
জাদু
একবার কালু আর লালু
দুজনে
এক দোকানে গেল…….
দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত
দেখে কালু ৩টে চকলেট
পকেটে পুরে নিলো।
দোকানের
বাইরে এসে…..
কালুঃ দেখলি তো…..আমি ৩টে
চকলেট তুলে নিলাম,
অথচ
কেউ
কিছু বুঝতেই
পারলো না।
তুই কখনই
এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব
রেগে গিয়ে
বললঃ চল, আমি এর
থেকে কিছু
বেশি তোকে দেখাচ্ছি।
তারা দুজনে আবার
দোকানে গেল,
এবং লালু
দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল,
আপনি কি একটা জাদু
দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক
আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য
আমাকে ১টা চকলেট
দিন।
দোকানদার
লালুকে ১টা চকলেট
দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আর
১টা চাইলো।
দোকানদার আবার
১টা দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আবার
১টা
চকলেট চাইলো।
দোকানদার এবারও
তাকে চকলেট
দিতেই লালু
সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা,
এতে
তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. ….
এবার,
.
.
.
আমার বন্ধুর পকেট
চেক
করুণ,
আপনার ৩টে চকলেট
ফেরত
পেয়ে যাবেন….।।
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
Sunday, August 7, 2016
মহাকাশ ভ্রমন
একবার গ্রামের দুই জন
অশিক্ষিত লোক মহাকাশ
ভ্রমন নিয়া কথা বলছে।
১ম জন:
আম্রিকানরা চান্দে গেছে।
২য় জন: তো কী হইসে?
আমরা সুর্যে যামু ।
১ম জন: সম্ভব না । সুর্যের
১৩ মিলিয়ন মাইলের
মধ্যে আইলে রকেট
গইলা যাইবো।
২য় জন (মাথা চুলকায়া):
ঠিক আছে ।
রাইতে শিডিউল
ফেললে রকেটের কিছু
হইবো না।
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
বেকার এমনি হয়
ফুটপাতে এক বেকারকে শুয়ে থাকতে
দেখে এক জ্ঞানী লোক বলল :
"ঐ ব্যাটা আরামে
ঘুমায় আছস, কাম করতে পারছ না..?"
বেকার : কাম কইরা কী করমু...?
লোক : কাম করলে টাকা কামাইতে
পারবি।
বেকার : টাকা কামাইয়া কী করমু..?
লোক : টাকা কামাইলে বাড়ি,
গাড়ি হইব।
বেকার : বাড়ি-গাড়ি দিয়া কী
করমু...?
লোক : আরামে ঘুমাইতে পারবি।
বেকার : তো আমি এতক্ষণ কী
করতাছিলাম...???
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
বল্টু এখন ড্রাইবার
না পড়লে চরররম
মিস....
PETROL পাম্প থেকে
২১ কিলোমিটার দূরে
সেনাবাহিনীর
ট্রাকের পেট্রোল
শেষ হয়ে গেল......
সেই ট্রাকের
ড্রাইভার
আবার
আমাদের বল্টু !!!!
সে মেজরকে বলল যে
পেট্রোল
পাম্প পর্যন্ত ধাক্কা
লাগাইতে হইব !!
সবাই গাড়ি থেকে নেমে
ধাক্কা
দিতে লাগল...
কয়েকঘন্টা পর তারা
পাম্পে
পৌছাল..
কয়েকজন আর্মি
বেহুশ হয়ে
গেল !
তো বল্টু পেট্রোল নেয়া
শুরু করল তখন মেজর
এসে
বলল :
"পিছনে যে ড্রামগুলা
আছে
ঐগুলাও
ভরিয়ে নিও"
তখন বল্টু বলল...
.
.
.
" ওগুলা তো আগে
থেকাই Full আছে,
এমার্জেন্সির জন্য
রাখছি"
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
কয়েল বনাম সিগারেট
বল্টু : রাতে বিছানায় শুয়ে সিগারেট
খাচ্ছে
হঠাৎ বল্টুর
মা : পাশের রুম থেকে বলল বল্টু ধোঁয়া
দেখা যায়
কোথাও আগুন লাগেনিতো?,
বল্টু: না কয়েল জ্বালাচ্ছি মা "
মা: কয়েলের গন্ধ এরকম কেন ?
বল্টু: মা এটা নতুন কয়েল তাই এ রকম গন্ধ ।
# মা : বুঝতে পারল এবং বলল বাবা বল্টু
এ রকম
কয়েল জ্বালাস না
#
বল্টু: কারণটা কি মা
মা: বলল
#
#
#
#
মশার ক্যান্সার হতে পারে....
ভাল লাগলে কমেন্ট করুন প্লীজ
আজব নারী
স্বামী স্ত্রী ঝগরা শেষে....
স্বামী : কোথায় যাচ্ছ....??
!
!
!
!
!
!
স্ত্রী :: সুইসাইড করতে..।
স্বামী :: তাইলে,এত মেকআপ কেন..? !
!
!
!
!
!
স্ত্রী :: ওমা, কাল সকালে আমার ছবি
ছাপা
হবেনা......
Subscribe to:
Comments (Atom)