Friday, July 22, 2016

দুরদান্ত হাসির গল্প


এক বার কোনো এক শহরের সবচেয়ে
বড়
ব্যাঙ্কে একটি বুড়ি মহিলা
গিয়েছিলো...
ওই বুড়ি মহিলা ব্যাঙ্ক
ম্যানেজারকে
কে বললঃ আমি কিছু টাকা বাঙ্কে
রাখতে চাই...
.
ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত
আছে?
.
বুড়ি বললঃ হবে ১০ লাখের মত...
.
ম্যানেজার বললঃ বাঃ ! আপনার
কাছে বেশ ভালোই টাকা আছে।
আপনি করেন কি?
.
বুড়ি বললঃ তেমন কিছু না খোকা ।
IPL
এ বাজি লাগাই । আর বাকি সময়
সবার
সাথে যেকোনো ব্যাপারে
বাজি
খেলি।
.
ম্যানেজার বললঃ শুধু বাজি
লাগিয়েই
এত টাকা জমিয়েছো ? তাজ্জব
ব্যাপার !
.
বুড়ি বললঃ তাজ্জবের কিছু নেই
খোকা। আমি এখুনি বাজি ধরতে
পারি যে , তোমার মাথায় ফলস চুল
লাগানো...
.
ম্যানেজার হাসতে হাসতে বললঃ
না
দিদা। আমি এখনো যথেষ্ট যুবক ।আর
মাথায় ফলস চুল লাগানো নেই।
.
তাহলে লাগাবে কি বাজি ? বুড়ি
বলল।
.
ম্যানেজার মনে মনে ভাবল, এই বুড়ি
পাগল মনে হচ্ছে । যাই হোক ১ লাখ
টাকা ফ্রিতে কামানো যাচ্ছে ,
তো
অত ভেবে লাভ কি...?
.
ম্যানেজার রাজি হয়ে গেলো...
.
বুড়ি বললঃ যেহেতু এক লাখ টাকার
ব্যাপার তাই আমি কাল সকাল ১১
টায়
আমার উকিল নিয়ে এই কেবিনে
আসব।
আর ওর সামনেই প্রমান করা হবে।
আপনি
কি রাজি ?
.
ম্যানেজার বললঃ ঠিক আছে । আমি
রাজি।
.
ম্যানেজারের রাতে ঘুম আসলো না,
সারা রাত ঐ বুড়ি আর ১ লাখ টাকার
কথা ভাবতে থাকে...
.
পরের দিন সকালে ঐ বুড়ি উকিল
নিয়ে
ঠিক ১১ টায় ম্যনেজারের কেবিনে
এসে উপস্থিত।
.
বুড়ি ম্যানেজার কে বললঃ আপনি
কি
রেডি ?
.
ম্যানেজার বললঃ একদম রেডি।।
.
বুড়ি বললঃ যেহেতু প্রমানের দরকার
তাই আমি আমার উকিলের সামনে
আপনার চুল টেনে প্রমান করতে চাই
যে
চুল আসল না নকল।
.
ম্যনেজার ভাবল এক লাখ টাকার
ব্যাপার... যাই হোক একটু চুল টানারই
তো ব্যাপার। তাই সে রাজি হয়ে
গেলো...
.
বুড়ি ম্যানেজার এর পাশে গেলো
আর
চুল ধরে টানতে শুরু করল । আর ঠিক ঐ
সময়ই
কেনো জানি উকিলটা দেওয়ালে
মাথা ঠুকতে শুরু করে দিলো...
.
ম্যানেজার বলে উঠেঃ আরে আরে
উকিল বাবু কি হলো ???
.
বুড়ি হাসতে হাসতে বললঃ কিছু না

শক খেয়েছে । আসলে ওর সাথে ৫
লাখ
টাকার বাজি ধরেছিলাম যে আজ
সকাল ঠিক ১১ টায়, শহরের সবথেকে
বড়
বাঙ্কের মানেজারের চুলের মুঠি
ধরে
টানব ।

মজার গল্প


শিক্ষক : বল তো ছোটন, ঢাকা কোথায় অবস্থিত ।
ছোটন : খাটের নিচে ছ্যার ।
শিক্ষক : এসব কী বল ।
ছোটন : বাড়ীর মালিক যখন ভাড়া চাইতে আসেন ,তখন আম্মু বলেন আব্বু ঢাকা গেছেন ।তখন তো আব্বু খাটের নিচে থাকেন ।

কোরবানী ঈদের কবিতা


ঈদের নতুন কবিতা."""
. গরুডাকে হাম্বা হাম্বা
ছাগল ডাকে ব্যা ,
মহিষ বলে কি হয়েছে
এত চেঁচাও ক্যা ?
মনের দুঃখে বলে গরু
কি আর কবো ভাই ,
কাল সকালে হতে হবে
কুরবানির জবাই !
কেঁদে কেঁদে ছাগল জানায়
আমারো কেছ তাই ,
তুমিও ভাই পাড় পাবেনা
বাঁচার উপায় নাই !
কথা শুনে মৃদু হাসে
মহিষ ভাইয়া কয় ,
ভাল করে বুঝিয়ে দেয়
জ্ঞানী গরু মহাশয়।
শোন হে ভাই শোন তবে
আসল কথা কই ,
আমরাতো কেউ এ দুনিয়ায়
অমর মোটেও নই !
একদিন হলেও যেতে হবে
দুদিন আগে পরে ,
তার চেয়ে ভাল কুরবান হওয়া
মহান আল্লাহর তরে !
ছাগল গরুভেবে দেখে
কথা পুরো ঠিক ,
সাথে সাথে কান্না থামায়
নিজেদের দেয় ধিক !
উঁচু কন্ঠে বলে ওঠে
ওহে মহিষ ভাই ,
আল্লাহর তরে প্রস্তুত মোরা
মনে আর ভয় নাই !

Digital kobita


ওই দেখা যায় Facebook,,
ওই আমাদের Job...
ওই খানেতে বাস
করে বন্ধুরা সব ।
ওই বন্ধু তুই চাস
কি....??
লাইক কমেন্ট pas
কি.....??
মিথ্যা কথা কইনা.....
তোদের পোস্ট পাইনা.......
একটা যদি পাই,,
অমনি করে
Like&coment কইরা
ফালাই.....!!

Bangladesh


BANGLADESH এর অর্থঃ
B=Blood (রক্তে)
A=Achieve (অর্জিত)
N=Noteworthy (স্মরনীয়)
G=Golden (সোনালী)
L=Land (ভূমি)
A=Admirable (প্রশংসিত)
D=Democratic (গনতান্ত্রিক)
E=Evergreen (চিরসবুজ)
S=Sacred (পবিত্র)
H=Habitation (বাসভুমি)

শিক্ষক বনাম ছাএ


এক নাস্তিক শিক্ষক ক্লাসে ঢুকেই
প্রশ্ন করল:
আচ্ছা তোমরা তো আল্লাহ তে
বিশ্বাস কর তাইনা?
:
ছাত্রছাত্রী সমস্বরে:
হ্যাঁ আমরা বিশ্বাস করি।
:
শিক্ষক: আল্লাহ তো পৃথিবীর
সকল
ভালমন্দ সৃষ্টি করেছেন তাইনা?
:
ছাত্রছাত্রী: হ্যাঁ তিনিই.
সৃষ্টি করেছেন।
:
শিক্ষক: আল্লাহ যদি ভাল
হয়ে থাকেন তাহলে মন্দসমূহ
সৃষ্টি করলেন কেন?
:
ছাত্র ছাত্রী: সবাই চুপ।
কেউ কোন উত্তর দিলনা।
:
শিক্ষক: আচ্ছা তোমরা কি কেউ
কখনো আল্লাহকে দেখেছ?
:
ছাত্রছাত্রী: না।
:
শিক্ষক: বিজ্ঞান বলে যে জিনিস
কোন যন্ত্র বা পঞ্চ ইন্দ্রিয়
দ্বারা দেখা যায়না, ছোঁয়া যায়
না, অনুভব করা যায় না, তার
কোন অস্তিত্ব নেই! সুতরাং
আল্লাহর অস্তিত্ব নেই--!!
:
সৃষ্টিকর্তার ধারণা অলীক
কল্পনা
মাত্র। ক্লাসে পিনপতন নিরবতা,
কেউ কথা বলছেনা। একজন ছাত্র
উঠে দাড়ালো:
স্যার আমি কিছু বলতে চাই।
:
শিক্ষক: বল
:
ছাত্র: স্যার পৃথিবীতে ঠান্ডা
বলতে কিছু আছে?
:
শিক্ষক: আছে।
:
ছাত্র: না স্যার, ঠান্ডা বলতে
কোন পদার্থ নেই। তাপমাত্রার
অনপুস্থিতিকেই ঠান্ডা বলে।
ঠান্ডা পরিমাপ করা যায়না।
তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়।
অর্থাৎ তাপের অনুপস্থিতিকে
ঠান্ডা বলে থাকি।
:
ছাত্র: স্যার অন্ধকার
বলতে কিছু আছে?
:
শিক্ষক: না।
:
ছাত্র: হ্যাঁ, অন্ধকার বলতে কিছু
নেই৷ অন্ধকার পরিমাপ করা
যায়না।
আলোর অনুপস্থিতিকেই
অন্ধকার
বলা হয়। ঠিক তেমনি আল্লাহ
মন্দ সৃষ্টি করেননি। ভালোর
অনুপস্থিতিকেই মন্দ বলে।
ছাত্র সকল ছাত্রছাত্রীদের
:
উদ্দেশ্যে করে: আচ্ছা আপনারা
কেউ
স্যারের মস্তিষ্ক দেখেছেন?
:
ছাত্রছাত্রী:
দেখিনি তবে স্ক্যানারের
মাধ্যমে দেখা সম্ভব।
:
ছাত্র: পৃথিবীর কোন যন্ত্র দিয়ে
কি
স্যারের জ্ঞান পরিমাপ করা
সম্ভব?
স্যার যে এত এত ডিগ্রী এতসব
জ্ঞান অর্জন করেছেন তা কি
পঞ্চ
ইন্দ্রিয় দ্বারাঅনুভব বা
পরিমাপ করা যায়?
:
ছাত্রছাত্রী: না
:
ছাত্র: তাহলে আমি ঘোষণা দিচ্ছি
যেহেতু কোন অত্যাধুনিক যন্ত্র
বা মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয়
দ্বারা স্যারের জ্ঞান অনুভব বা
পরিমাপ করা যায় না সুতরাং
স্যারের কোন জ্ঞান নেই।
তিনি একটা মূর্খ।
POWERD BY

funfurti.bloogspot.com